পৃথু স্যন্যাল

ট্যাগ poem-19 (বাংলা)

  • এলিজা, আমার প্রেমিকা

    এলিজার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকি,
    ঘষতে থাকি তার ঠোটে ঠোট।
    এই শহরে তার কাছে যাওয়া ছাড়া
    গতি নেই।
    অন্তত আমার মতো
    কর্মহীন বেকারের কাছে।
    এলিজার হাঁকানো দাম খুবই কম,
    মাত্র বিশ ইউরো।
    বিশ ইউরোতে নারী,
    নারী শরীর।
    এলিজার সাথে শর্ত ছিলো,
    কোনো ধরনের প্রবিষ্টতা নয়,
    শুধুই বাহ্যিক লেহন।
    অথবা পরস্পর মন্থন।
    তথাপি
    এলিজা।
    নিজেকে মেলে ধরে
    একেবারে দিগম্বর হয়ে।
    একে একে তার সকল অন্তর্বাস
    খুলে দিয়ে।
    আর
    আমার সকল কিছু বিচ্ছিন্ন করে।
    আমি একের পর এক বিস্মিত হই।
    পতিতারা প্রবিষ্ট হয়ে গেলেও
    ঠোটে চুমু খায় না।
    তথাপি
    এলিজা।
    আমার ঠোটে চুমু খায়,
    আমাকে আলিঙ্গনে আবিষ্ট করে,
    যেনো তার শত জনমের সাধনার প্রেমিক।
    আমি হারিয়ে যাই,
    একবার প্রেমিক,
    একবার খদ্দের
    হয়ে এলিজার
    বুকে আর যোনিতে
    হাত বুলাই।
    তথাপি
    এলিজা।
    আমার কাছে রাস্তার বেশ্যা
    হয়েই রয়।
    যাকে বিশ ইউরোতেই
    পাওয়া যায়।
    তথাপি
    এলিজা।
    ফেরার সময় পাঁচ ইউরো বেশি চায়।
    শর্ত
    পরের প্রতিবারে যেনো দশ ইউরোতে
    কাজ সারা যায়।
    আমি এলিজার
    চোখের দিকে তাকিয়ে থাকি।
    এক সমুদ্র হাহাকার নিয়ে
    সেখানে শুণ্যতা দেখি।
    না।
    সেখানে কোনো প্রেম নেই,
    কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই।
    নেই প্রেম।
    নেই প্রেমিক অথবা
    পুরুষের আকাঙ্ক্ষা।
    আমি ফেরত আসি।
    প্রেমিক অথবা পুরুষ
    না হবার হতাশা নিয়ে।